Website update is in progress. Test link

মেথির উপকারিতা এবং অপকারিতা । মেথির খাওয়ার নিয়ম

মেথি কি? | মেথির উপকারিতা এবং অপকারিতা । মেথির খাওয়ার নিয়ম | মেথি কিভাবে খেতে হয়, খাওয়ার সঠিক নিয়ম | মেথি গুড়া করার নিয়ম | ওজন কমাতে ও চুলের
সেই ছোটবেলা থেকে আমরা মেথি ব্যবহার করে আসতেছি । মেথির সাথে আমরা কোন না কোন ভাবেই জড়িত এর প্রধান কারণ হচ্ছে আমরা বিভিন্ন কারণে এটি ব্যবহার করে থাকি।মেথি এই শব্দটির সাথে আমরা সবাই পরিচিত কিন্তু অনেকে মেথির উপকারিতা ও মেথির ব্যবহার সঠিক না জানার কারণে আমরা মেথি ব্যবহারের সঠিক সুফল পাইনা। 

মেথির উপকারিতা

তাই আমরা আজকে আমাদের আর্টিকেল এর মাধ্যমে কিভাবে মেথির ব্যবহার করলে মেথির উপকারিতা বেশি পাওয়া যাবে সে সম্পর্কে আলোচনা করব। চলুন তাহলে শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেলটি।

মেথির উপকারিতা এবং অপকারিতা

মেথি কি?

মেথি মূলত কি এটি অনেকের না জানলেও মেথি গাছের সাথে গ্রাম বাংলার সকল মানুষই পরিচিত। যারা গ্রামে বসবাস করেন তারা সবাই মেথি সিনে থাকবে। কারণ তারা ছোটবেলা থেকেই এটি ব্যবহার করে আসতেছে তারা বিভিন্ন রকম কাজে ব্যবহার করে। 

মেথি একটি বর্ষজীবী পাতার গাছ। গ্রাম বাংলার মানুষেরা সাধারণত এই মেথি গাছটি তাদের বাড়ির আঙ্গিনায় রুপন করে থাকে। গ্রাম বাংলার মানুষেরা শখ করে মেথির শাক খায়। 

মেথি এমন একটি গাছ যে গাছটির পাতাসহ এবং গাছটির শস্য বীজ দুটি খাওয়া যায়। সেই প্রাচীনকাল থেকে মানুষ মেয়ে থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরির কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। 

মেথি খাওয়ার সঠিক নিয়ম?

মেথি ব্যবহারের অনেক নিয়ম রয়েছে আপনি বিভিন্নভাবে মেথি খেতে পারেন। তবে আমরা নিচে কিছু নিয়ম লিখে দিয়েছি আপনারা ওই নিয়মগুলো অনুযায়ী মেথি খাওয়ার ফলে সবথেকে বেশি উপকারিতা লাভ করবেন আশা করি।
  1. মেথি খাওয়ার মাধ্যমে যদি আপনি সবথেকে বেশি উপকার পেতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি মেয়ে থেকে শুরু করে 1 কাপ দুধের সাথে অথবা একগ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খেতে খেতে পারেন।
  2. মেথি খাওয়ার আরো একটি সেরা উপায় রয়েছে সেটি হচ্ছে আপনি মেহেদী পাতাকে ভর্তা বানিয়ে খেতে পারেন।
  3. মেথি খাওয়ার আরো একটি সেরা নিয়ম রয়েছে তা হচ্ছে এক গ্লাস পানির সাথে আপনি মেথি পাতা 10 মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এরপর মধু অথবা লেবু মিশিয়ে সেই পানি গুলো আপনি খেয়ে ফেলেন। 
  4. মেথির উপকারিতা সবথেকে বেশি পেতে হলে এ পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারেন একবাটি মেথি পুরো রাত আপনি পানিতে মিশিয়ে রাখুন এরপর আপনি সেই মেথির পানি গুলো সকালবেলা খেয়ে নিন। এ পদ্ধতিতে মেথি খেলে আপনি সবথেকে বেশি মেথির উপকারিতা পাবেন।

মেথি গুড়া করার নিয়ম ?

অনেক সময় দেখা যায় আমরা মেথি ভালোভাবে গুড়া করতে পারে না। আমাদেরকে যদি মেথির অধিক কার্যকারিতা সেটা আমাদেরকে মেথি কে ভালোভাবে গুড়া করে তারপর ব্যবহার করতে হবে। মেথির বেশি উপকারিতা লাভ করার জন্য মেথি গুড়া করার নিয়ম আসুন আমরা জেনে নেই কিভাবে আমরা মেথিগুঁড়া করব।

প্রথমে আপনি যে মেথি গুলো গুঁড়া  করবেন সেই মেথি গুলো ভালোভাবে রোদে শুকাতে দিন। তারপর সে নীতিগুলোর সাথে আপনি হালকা সরষের তেল মিশিয়ে সেই মেয়েগুলো স্বল্প আগুনে ভাজতে থাকবেন। 

এরপর যখন আপনার মেথি গুলো ভালোভাবে বাজা হয়ে যাবে তখন আপনি সেই মেথি গুলো ব্লেন্ডারের মাধ্যমে ভালোভাবে পাউডার বানিয়ে নেবেন।এরপর থেকে আপনার যদি কখনো মেথি ব্যবহারের প্রয়োজন হয় তখন আপনি এক চামচ মেথি পাউডার পানি কিংবা মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। 

এক্ষেত্রে আপনি মেথির অধিক উপকারিতা লাভ করতে পারবেন। আপনি যদি মেথি পাউডার গুলোকে বেশিদিন ধরে সংরক্ষন করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি মেথি পাউডার গুলোকে এয়ার টাইট কন্টেইনারে রাখতে পারে সে ক্ষেত্রে এক বছরের অধিক সময় ধরে মেথি পাউডার গুলো সংরক্ষন করতে পারবেন।

মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা

মেথি অবশ্যই উপকারী একটি জিনিস । কিন্তু আমরা সবাই জানি কোন উপকারী জিনিস যদি আমরা অতিরিক্ত ব্যবহার করে থাকে সে ক্ষেত্রে সেই উপকারী জিনিস তো আমাদের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চলুন আমরা জেনে নিই তাহলে মেথির উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

মেথির উপকারিতা:

  • ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে:
আমাদের দেশে বেশির ভাগ মানুষই ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। প্রতিবছর অনেক মানুষ এই ডায়াবেটিস রোগী মারা যায়। আমাদের দেশে ডায়াবেটিস রোগীরা বিভিন্ন ধরনের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন রকম ওষুধ সেবন করে থাকে। 

বেশি ওষুধ সেবন করার ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কিডনি ড্যামেজ হয়ে যাওয়া। যার কারণে ডায়াবেটিস রোগীরা খুবই অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করে থাকে। তাই আপনার যদি ডায়াবেটিস থেকে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি মেথির ব্যবহার করতে পারেন। 

আমরা যারা ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে তারা প্রত্যেক দিন 5 থেকে 50 গ্রাম মেথির সেবন করুন। এগুলো সেবন করার কারণে আপনার শরীরে ডায়াবেটিস অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। কারণ আপনি মেথি সেবন করার পর । 

আপনার শরীর থেকে সুগার কার্বোহাইড্রেটের মাত্রা অনেক কমে যাবে। কারণ হলো মেথিথে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আর ফাইবার এই 2 উপাদানগুলো প্রচুর পরিমাণে শোষণ করে নেয়।
  • লিভার ভালো রাখে:
অনেক মানুষের কিন্তু লিভারের সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে যারা মদ পান করে তাদের লিভারের প্রচুর সমস্যা হয়েছে। লিভারের সমস্যা গুলো আপনি পুনরায় রিকভার করতে মেথি সেবন করতে পারেন। মেথি সেবনের ফলে আপনার লিভার পুনরায় রিকভার হতে থাকে। তাই আপনার যদি অতিরিক্ত পরিমাণে লিভারের সমস্যা হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি মেথি সেবন করতে পারেন।
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
আমাদের অনেকে রক্তচাপ জনিত সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমরা মেথি সেবন করতে পারি। এই মেথির মধ্যে রয়েছে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করার মূল ওষুধ।মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও ফাইবার। 

যে উপাদান গুলো আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে থাকে তা মেথিতে রয়েছে।তাই আপনি যদি টানা দুই থেকে তিন মাস মেথি সেবন করে থাকেন। তাহলে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন আপনার রক্তচাপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
  • ক্যান্সার:
বর্তমান সময়ের মরণব্যাধি একটি রোগ এর নাম হচ্ছে ক্যান্সার। ক্যান্সার এমন একটি রোগ যে রোগটির তেমন কোন ভাল চিকিৎসা নেই। আপনি যদি নিয়মিত মেথি সেবনে অভ্যস্ত থাকেন সেই ক্ষেত্রে আপনার শরীরে মরণব্যাধি ক্যান্সারের জীবাণু থাকবে না।মেথিতে রয়েছে ট্রাইগ্লিসেরাইড এস্ট্রোজেন - 

রয়েছে যা শরীরে থাকা ক্যান্সারের জীবাণু গুলো ধ্বংস করে দেয়। তাই আপনি যদি মরণব্যাধি ক্যান্সার সমস্যা থেকে বাঁচতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি প্রতিনিয়ত মেথি সেবন করতে পারেন।
  • কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি:
আমাদের শরীরের সবচেয়ে আরো একটি দামি অঙ্গ হচ্ছে কিডনি। আমাদের যদি এক হাত না থাকে কিংবা দুই হাত না থাকে সে ক্ষেত্রেও আমরা বাঁচবো। কিন্তু আমাদের যদি একটি কিডনি ও না থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা বাঁচবো না। 

তাই আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি সুস্থ রাখার জন্য আমরা প্রতিনিয়ত মেথি সেবন করতে পারি। যার ফলে আমাদের কিডনি সুস্থ থাকবে। মেথি কিডনিতে থাকা ক্যালসিয়াম অক্সালেট জাতীয় কিডনির পাথর গলিয়ে আপনাকে সুস্থ রাখবে।

মেথির অপকারিতা:

  • সুগার লেভেল অতিরিক্ত কমে যাওয়া:
আমরা যারা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য মেথির ব্যবহার করব তারা একটু সতর্কতার সাথে সেবন করতে হবে। কারণ মেথি সেবনের ফলে আপনার সুগার লেভেল কমে যায়। এক্ষেত্রে আপনি যখন অতিরিক্ত সেবন করবেন তখন আপনার সুগার লেভেল একেবারে নীল করে দিবে। তখন আপনি মারাও যেতে পারেন। 
  • বমি বমি ভাব:
আমরা যারা মেথি খেতে অভ্যস্ত না। তারা যখন মেথি সেবন করব তখন আমরা ভালভাবে ডাইজেস্ট করতে পারবোনা যার ফলে আমাদের সারাদিন বমি বমি ভাব থাকতে পারে। তাই আপনি অল্প অল্প করে সেবন করবেন এবং কন্টিনিউ সেবন করতে থাকবেন এতে করে আপনার বমি বমি ভাব টা আস্তে আস্তে চলে যাবে।
  • রক্ত পাতলা করে দেওয়া:
যাদের রক্ত ঘনত্ব খুবই কম তারা যদি কন্টিনিউ মেথি সেবনে অভ্যস্ত থাকে। সে ক্ষেত্রে আপনার উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হবে। আর যাদের রক্ত ঘনত্ব রয়েছে তারা অতিরিক্ত মেথি সেবন করবেন না। কারণ অতিরিক্ত মেথি সেবন করার ফলে আপনার রক্ত পাতলা করে দেবে।
  • ডিএনের জন্য ক্ষতিকারক:
আমরা যারা অতিরিক্ত মেথি সেবনে অভ্যস্ত থাকবো তাদের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আমরা অতিরিক্ত উপকারের আশায় অতিরিক্ত মেথি সেবন করব না।

চুলের জন্য মেথির উপকারিতা

বর্তমান সময়ে আমাদের চারপাশে প্রচুর মানুষ রয়েছে যাদের মাথার চুল নেই। এবং আরো অনেক মানুষ রয়েছে যাদের মাথায় চুল রয়েছে কিন্তু চুল পড়া সমস্যা তাদের রয়েছে। তাদের প্রতিনিয়ত মাথা থেকে চুল উঠে যায়। তাই আমাদের যাদের চুল পড়ার সমস্যা রয়েছে তারা চাইলে চুল পড়ার সমস্যা সমাধানের জন্য মেথি ব্যবহার করতে পারেন মেথির ব্যবহার করার ফলে চুল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন। চলুন জেনে নেয়া যাক চুলপড়া সমস্যা থেকে সমাধানঃ পাওয়ার জন্য কিভাবে মেথি ব্যবহার করব।
  • খুশকি রোধক:
আমাদের অনেকের মাথার খুশকি জনিত সমস্যা থাকে । এই খুশকি দূর করার জন্য আমরা বিভিন্ন রকম ক্রিম সাবান ব্যবহার করে থাকি কিন্তু তারপরও অনেক সময় দেখা যায় মাথার খুশকি দূর হয় না। তাই আপনারা মাথার খুশকি দূর করার জন্য মেথির ব্যবহার করতে পারেন। 

মেথিতে রয়েছে প্রোটিন কোন নিকোটিনিক এসিড যার ফলে আপনার মাথার চুল মজবুত করবে। তার সাথে সাথে আপনার চুলের খুশকি দূর করে দেবে। আপনি 1 চা চামচ মেথি নেবেন সেই মেয়েগুলো আপনি ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিবেন।

ব্লেন্ড করা মেথি গুলোর সাথে এক কাপ দই মিশিয়ে নেবেন এরপর আপনি মাসে চারবার এগুলো মাথায় ব্যবহার করবেন। দেখবেন আপনার চুল পড়া তার সাথে আপনার খুশকির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।
  • চুল পেকে যাওয়া:
আমরা আজ কাল দেখে থাকবো খুবই কম বয়সী মানুষের মাথার চুল পেকে যাওয়া সমস্যাটি রয়েছে। অনেকের এখনো কম বয়স কিন্তু মাথার বেশিরভাগ চুল পাকা। এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে আপনি মেথি ব্যবহার করতে পারেন। 

আমাদের মাথার চুল তখনই পেকে যায় যখন আমাদের চুলের গোড়া থেকে আয়োডিন ও ভিটামিন কমে যায়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনি কিভাবে মেথির ব্যবহার করবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক। 

তেলের সাথে মেথি কে একদিন ভিজিয়ে রাখুন । তারপরের দিন তেল হালকা গরম করে আপনার মাথায় চুলের গোড়ায় ভালোভাবে মালিশ করতে হবে দেখবেন কিছুদিনের মধ্যেই আপনার চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে এবং তার সাথে চুলের খুশকি দূর হয়ে যাবে।
  •  নতুন চুল গজাতে সহায়ক:
আমাদের যাদের মাথায় চুল কম। কিন্তু আমরা চাই যাতে করে আমাদের মাথার চুল গজায়।আপনার মাথায় নতুন চুল গজানোর জন্য আপনাকে মেথির ব্যবহার করতে পারেন।মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে লেসিথিন আপনার মাথায় নতুন চুল গজাতে প্রচুর সহায়তা করে থাকবে। 

তার জন্য আপনাকে চার চামচ মেথির গুঁড়া এবং তার সাথে দুই চামচ সরিষার দানা একসাথে মিশিয়ে ভালোভাবে একটি প্যাক তৈরি করে নিতে হবে এরপর আপনাকে প্রতিনিয়ত এটি ব্যবহার করতে হবে টানা চার মাস যদি আপনি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন দেখবেন আপনার মাথায় নতুন চুল গজাতে শুরু করছে।

ওজন কমাতে মেথির উপকারিতা?

আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ রয়েছে যাদের ওজন স্বাভাবিকের তুলনায় অধিক । তারা বিভিন্ন রকম ব্যায়াম ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করার পরও তাদের ওজন কমাতে পারেনা। 

তাই তারা তাদের ওজন কমানোর জন্য চাইলে এটি সেবন করতে পারেন। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ওজন কমাতে বেশ ভূমিকা পালন করে থাকে এই উপাদানটি। এছাড়াও আপনি যদি মেথি সেবনের মাধ্যমে ওজন কমাতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি মেথি ভিন্নভাবে সেবন করতে পারেন। 


তা হচ্ছে সকালবেলা আপনি গরম পানির সাথে মেথি মিশিয়ে চা বানিয়ে খেতে পারেন এতে করে আপনার ওজন খুব দ্রুত হ্রাস পাবে। এছাড়াও আপনি মেথির গুড়ার সাথে গরম পানি অথবা মধু মিশিয়ে খেতে পারেন আপনি যদি কন্টিনিউ মেথির পানি খেতে পারেন সে ক্ষেত্রে এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার ওজন এক থেকে চার কেজি পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে।

মেথি নিয়ে প্রশ্নের উত্তর

  • মেথি কি গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী?
অবশ্যই মেথি গ্যাস্ট্রিক রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। কারণ মেথিতে রয়েছে ফাইবার। আর মেথি সেবনের ফলে আপনার হজম শক্তি বেড়ে যাবে এতে আপনার গ্যাস্ট্রিক সমস্যার ভয় থাকবে না। তাই আপনার যদি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি মেথি সেবন করতে পারেন
  •  মেথি খেলে কি এলার্জি বৃদ্ধি পায়?
মেথি সেবন করার পরে এলার্জি দেখা দেয় এমন কোন কারণ ও লক্ষণ আমরা দেখতে পাইনি। বরং আপনার যদি অ্যালার্জিজনিত সমস্যা থেকে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি মেথি সেবন করলে আপনার অ্যালার্জি কন্ট্রোলে চলে আসে।
  • মেথি ব্যবহার করে আমি চুলের জন্য কোন উপকার পাইনি কেন?
আপনি আপনার চুলের জন্য যদি মেথির ব্যবহার করে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনি কোন উপকার না পাওয়ার মূল কারন হচ্ছে। আপনি সঠিকভাবে মেথির ব্যবহার করেননি আমাদের এই আর্টিকেলে যেভাবে নির্দেশনা রয়েছে সে ভাবে আপনি আপনার চুলের জন্য মেথি ব্যবহার করুন আশা করি উপকার পাবেন।

আমাদের শেষ কথা
আশাকরি এতক্ষণে আপনি জেনে গেছেন মেথি কি মেথির উপকারিতা ও মেথির উপকারিতা সম্পর্কে কিভাবে মেথি সেবন করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। মেসি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি আশা করি যদি কোন প্রশ্ন থেকে থাকে সে ক্ষেত্রে আমাদেরকে কমেন্টে জানাতে পারেন
Hi I'm Zahid Hasan Nazim, I'm a Digital Marketer

Post a Comment

Premium By Raushan Design