কিভাবে বুঝবেন, ব্লগিং আপনার জন্য উপযুক্ত হবে কিনা?

এখন অনেকেই ব্লগিং শুরু করতে চায়, ব্লগিং শুধু নিজের জ্ঞান শেয়ার করার জন্যই নয় ইনকামের ও অনেক বড় একটি উৎস হতে পারে। কিন্তু ব্লগ শুরু করার পূর্বে অবশ্যই

কিভাবে বুঝবেন, ব্লগিং আপনার জন্য উপযুক্ত হবে কিনা

বর্তমানে লেখালেখির মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার একটি বড় মাধ্যম রয়েছে ব্লগিং করে ইনকাম করা। কিন্তু ব্লগিং সবার জন্য নয় আমরা এখন বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষই চাই ব্লগিং করার জন্য কিন্তু আসলে আমাদের জন্য কি ব্লগিং হবে তা আমরা অনেকে না বুঝেই ব্লগে ঝাঁপিয়ে পড়ি। আমরা যারা ব্লগিং করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমাদেরকে আগে জেনে নিতে হবে আমাদের দ্বারা কি ব্লগিং করা সম্ভব হবে আমরা কি আসলেই ব্লগিং করতে পারব তা আপনি খুব সহজে কয়েকটি উপায় বুঝতে পারবেন।

কিভাবে বুঝবেন, ব্লগিং আপনার জন্য উপযুক্ত হবে কিনা
কিভাবে বুঝবেন, ব্লগিং আপনার জন্য উপযুক্ত হবে কিনা

ব্লগিং শুধু মানে লেখালেখি নয় ব্লগিং করার মাধ্যমে ইনকাম এর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে আপনি ব্লগিং করে প্রচুর পরিমাণে ইনকাম করতে পারবেন তবে তার জন্য আপনাকে সঠিক উপায়ে সঠিক নিয়ম গুলো অবলম্বন করে ব্লগিং করতে হবে।

আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই - আপনি যদি ব্লগিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তাহলে আপনার সিদ্ধান্ত সঠিক নয় সঠিক না সেটা কিভাবে বুঝবেন আপনার ধারাকে ব্লগিং হবে নাকি ব্লগিং হবে না সেটা কিভাবে বুঝবেন ? সেগুলো নিয়ে আমাদের আজকের আয়োজন।

আপনার জন্য যদি ব্লগিং না হয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে আপনি ব্লগিং এ সময় না দিয়ে অযথা লেখালেখি না করে আপনি অন্য কোন কাজে মনোনিবেশ করুন সেখানে আপনি ভাল ফল পাবেন। আজকে আমরা এটি পরিষ্কার করার চেষ্টা করব। আপনার কি ব্লগিং শুরু করা উচিত নাকি আপনি অন্য কিছু করবেন।

আপনি লিখতে পছন্দ করেন তো?

ব্লগিং এর প্রধান যে শক্ত থাকে তাহলে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে লিখতে ভালবাসতে হবে। আপনি লিখতে কতটা ভালবাসেন আপনি কতটা সময় ধরে নিতে পারেন। লেখার সময় আপনি কতটা ভালবেসে একটা লেখা লিখতে পারেন। কোন বিষয়ে লেখার সময় আপনার ভিতরে কি কোনরকম বিরক্ত বোধ হয় কিনা। যদি আপনার থেকে দেখতে তেমন ভালো লাগে না আপনার লেখার সময় একটা ভালোবাসা কাজ করে না এবং নিজের সময় আপনার বিরক্ত বোধ মনে হয় তাহলে ব্লগিং আপনার জন্য না।

ব্লগিংয়ের পূর্বশর্ত হচ্ছে আপনাকে লিখতে ভালবাসতে হবে অর্থাৎ আপনি যদি কোন বিষয়ের উপর লেখেন সে বিষয়ে লেখার সময় আপনার ভিতর থেকে কি পরিমান ভালোবাসা জাগে সে লেখাটির উপর আপনি কতটা ভালবেসে একটা লেখা লিখতে পারেন আপনি যত সুন্দর ভাবে লেখা লিখতে পারবেন যত সুন্দর ভাবে একটি লেখা উপস্থাপন করতে পারেন ততো আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে।

এককথায় আপনার যদি ব্লগিং করতে চান তাহলে আপনাকে দিনের বেশিরভাগ সময় লেখালেখিতে পার করে দিতে হবে। কারণ আপনার ব্লগে যারা পড়তে আসবে বিভিন্ন বিষয়ের উপর জানতে আসবে তার আপনাকে বিভিন্ন বিষয়ের উপর কমেন্ট করবেন আপনি সে কমেন্ট গুলোর উত্তর দিতে হবে সেখানে আপনাকে লিখে উত্তর দিতে হবে।

ব্লগে শুধু নিজের ওয়েবসাইটে লিখলে হয় না কখনো অন্যের ওয়েবসাইটে লিখতে হয়, কখনো অন্যের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের ব্লগ সম্পর্কে এবং সে ব্লগ সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে হয়, তাই আপনাকে প্রচুর পরিমাণ লিখতে ভালবাসতে হবে আপনি যদি লেখাকে ভালো না বাসো তাহলে আপনার জন্য ব্লগিং হবে না।

আপনি যদি টাকার কথা চিন্তা করে ব্লগিংয়ের ডুব দিয়ে দেন তাহলে আপনি ব্লগিং জগতে অনেক কিছুই করতে পারবেন। কারণ আপনি যখন টাকার কথা চিন্তা করে ব্লগিংয়ে ডুব দেবেন তখন আপনার ব্লগ লেখার মান অতটা ভালো হবে না এবং আপনি ব্লগিং হতে পারবেন না ব্লগে কখন আপনি সাকসেস এর মুখ দেখবেন না।

ওয়েব সারফিং উপভোগ করেন তো?

আপনি যদি একজন সফল ব্লগার হতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রতিনিয়ত ভাল ভাল কনটেন্ট উপহার দিতে হবে আপনার ভিজিটরদের। আপনাকে বিভিন্ন বিষয়ের উপর বিস্তারিত লিখে আপনার ব্লগে পাবলিশ করতে হবে। প্রতিনিয়ত নতুন নতুন বিষয়ের উপর আপনি ব্লগ লেখার চেষ্টা করবেন। 

এক্ষেত্রে আপনি যখন নতুন নতুন বিষয়ের প্রতি কনটেন্ট লেখা শুরু করবেন কিন্তু সে বিষয়ের প্রতি আগে আপনি ভালভাবে ধারণা নিতে হবে না হয় আপনি ভালো ব্লগ লিখতে পারবেন না। সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনি ঘুমের মধ্যে আপনার মাথায় এসে পড়বে না অথবা কোন আলাদিনের চেরাগ এর দ্বারা আপনার মাথায় সে সম্পর্কে এসে পড়বে না। 

তার জন্য আপনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর ব্লগ গুলো পড়বেন। আপনি যে বিষয়ের উপর ব্লগে লিখবেন সেই বিষয়ের উপর বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে লেখাগুলো আপনি ভালো পড়বেন এবং জানার এবং তার সাথে বোঝার চেষ্টা করবেন। 

আপনি যখন আপনার ব্লগ এর বিষয়টির উপর বিভিন্ন ওয়েবসাইট/ ভিডিও/অডিও/ সার্ফিং করবেন তখন দেখবেন আপনার মাথায় বিভিন্ন নতুন নতুন টপিক আপনার মাথায় খোসা মারবে। তখন আপনি আপনার ব্লগে ভালো এবং ইউনিক কনটেন্ট পাবলিশ করতে পারবেন।

ব্লগিং করে রাতারাতি কোটিপতি হতে পারবেন?

ব্লগিং করে আপনি কোটিপতি হতে পারবেন তা ঠিক তবে আপনি ব্লগিং করে আপনি রাতে রাতে কোটিপতি হতে পারবেন না অন্তত আমি এটা দেখিনি কখনো। আপনি যদি সঠিকভাবে সঠিক নিয়মে করতে পারেন তাহলে আপনি একজন সফল ব্লগার হতে পারবেন । 

আপনি যদি ব্লগিং করার পর ছয় থেকে বারো মাসের ভিতরে ব্লগার থেকে রেভিনিউ জেনারেট করা শুরু করেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনি ব্লগে ভালো কিছু করেছেন। এবং আপনি যদি 1 থেকে 2 বছরের ভিতর ভালো পরিমাণে বিভিন্ন জেলার করা শুরু করেছেন তাহলে আপনি ব্লগিং এর সফলতার দিকে এগোচ্ছে।

তবে আপনি যদি ব্লগিং করে রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার চিন্তা করেন সেক্ষেত্রে আপনি ব্লগে ভালো কিছু করতে পারবেন না। কারণ আপনি যখন টাকার কথা চিন্তা করে ব্লগিং শুরু করবেন তখন আপনি ব্লগে ভালো কিছু উপহার দিতে পারবে না কিন্তু আপনার যখন একমাত্র লক্ষ্য ব্লগে ভালো কিছু করার ভাল ভাল কনটেন্ট উপহার দেওয়ার তখন আপনি টাকার কথা চিন্তা করতে হবেনা টাকা এমনি এমনি আপনার হাতে ধরা দেবে।

ব্লগিং শুরু করে আপনি রেভিনিউ জেনারেট করতে পারোনা ব্লগিংয়ের রেভিনিউ জেনারেট করার জন্য আপনাকে ব্লগে অনেক দূর এগিয়ে যেতে হবে একের পর এক সুন্দর সুন্দর সেরা সব কন্টাক্ট পোস্ট করে যেতে হবে প্রতিনিয়ত আপনাকে ব্লগে কনটেন্ট পোস্ট করতে হবে। 

এতে করে আপনি ব্লগে ভালো কিছু করতে পারবেন একসময় দেখবেন আপনার ব্লগ সফলতার দিকে এগোচ্ছে তখন আপনি হিউজ পরিমান রেভিনিউ ইনকাম করতে পারবেন। তখনি আপনি বলতে পারবেন আপনি ব্লগের মাধ্যমে কোটিপতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেটা আপনি বলতে পারেন।

আপনি যদি দ্রুত টাকা ইনকাম করার কথা ভাবেন তাহলে আপনি ব্লগের কথা চিন্তা না করে আপনি অন্য কিছুর কথা চিন্তা করুন যেখানে আপনি খুব কম সময়ে টাকা ইনকাম করা শুরু করবেন। ব্লগিং হচ্ছে লংটাইম প্রসেস ব্লগে আপনি সবসময় ভাল কিছু করতে পারবেন না। 

আপনার চিন্তা, মতামত, ও আইডিয়া শেয়ার করার ক্ষমতা থাকতে হবে!

একজন ব্লগার প্রতিনিয়ত তার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ব্লগ লিখতে থাকে। সে যে বিষয়টির উপর ব্লগ লিখবে সে বিষয়টির উপর হয়তো ইতিমধ্যে অনলাইনে অন্য কোন ব্লগার লিখে ফেলেছে তারমানে আপনি পাবলিশ করবেন না অবশ্যই আপনিও সে বিষয়টির উপর দেখতে পারেন তবে আপনাকে সে বিষয়টির আপডেট কিছু শেয়ার করতে হয়।

আপনি যখন প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগে বিভিন্ন বিষয়ের উপর ব্লগ লিখবেন চেষ্টা করবেন আপনার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং মতামত ও বেস্ট আইডিয়া গুলো সেখানে শেয়ার করতে। সে ক্ষেত্রে আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে।

হয়তো আপনি মাঝে মাঝে আপনার পাঠকদের কাছ থেকে বিভিন্ন রকম খারাপ কমেন্ট পেতে পারেন এক্ষেত্রে আপনি দমে যাবেন না আপনাকে এগুলো হ্যান্ডেল করার ক্ষমতা থাকতে হবে না হয় আপনি ব্লগে সাকসেস হতে পারবেন না।

আপনাকে প্রতিনিয়ত উন্নত চিন্তা ও মতামত নতুন নতুন আইডি শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি আপনার কমিনিটি গঠন করবেন । আপনি যত ভাল ভাল কনটেন্ট উপহার দিতে পারবেন আপনার কমিউনিটি ততই বৃদ্ধি পাবে।

আপনার কমিনিটি যত বৃদ্ধি পাবে ততোই আপনি চেষ্টা করবেন ভাল ভাল কনটেন্ট নতুন নতুন আইডিয়া গুলো তাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ।

নতুন কিছু শেখায় আগ্রহী হতে হবে

আপনি যদি সব সময় নতুন কোন না কোন কিছু শেখার ব্যাপারে আগ্রহ থাকে তাহলে আপনার জন্য ব্লগিং বেস্ট। আমার কাছে কোন কিছু সেইটা এবং অন্যকে শেখানোর সেরা মাধ্যম হচ্ছে ব্লগ। এই প্লাটফর্মে আপনি নতুন নতুন কিছু শিখতে পারবেন এবং অন্যকে শেখাতে পারবেন।

আপনি যদি ব্লগিং করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে কম্পিউটার সম্পর্কে মোটামুটি জানতে হবে কম্পিউটার সফটওয়্যার এবং ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে জানতে হবে আপনি যদি কম্পিউটারের কিছুই না বোঝেন সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য ব্লগিং হবে না।

ব্লগিং করতে গেলে আপনাকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কিছু শিখতে হবে এবং আপনার ব্লগার কমিউনিটিতে যারা যুক্ত আছে তাদের সাথে শেয়ার করতে হবে। আপনি যদি একটি বিষয়ের উপর প্রতিদিনই ব্লগ লিখতে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার ব্লগে যারা পড়তে আসে তারা বিরক্তবোধ করবে। তাই আপনাকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কিছু বিষয়ের উপর ব্লগ লিখতে হবে।

তাই এক কথায় বলতে গেলে ব্লগিং করার পূর্বশর্ত হচ্ছে আপনাকে নতুন কিছু শেখার ব্যাপারে আগ্রহ থাকতে হবে এবং অন্যের সাথে শেয়ার করার মানসিকতা থাকতে হবে তাহলে আপনি ব্লগে ভালো কিছু করতে পারবেন ।

ব্লগিং মানে শুধুই লেখালেখি নয়!

আপনি মানে মানে কি মনে করেন আপনি ব্লগিং মানে শুধু লেখালেখি মনে করেন না তো । আপনি যদি ব্লগিং মানে শুধু লেখালেখি মনে না করেন সে ক্ষেত্রে ব্লগে ভালো কিছু করতে পারবেন। কিন্তু আপনি যদি ব্লগিং মানে শুধু লেখালেখি মনে করেন। তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন।

কারণ  ব্লগিং মানে শুধু দেখালে কি নয় । ব্লগিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই লেখালেখির পাশাপাশি আপনাকে এসইও এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং জানতে হবে কারণ আপনি যখন আপনার ব্লগে কোন আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন আর্টিকেলে ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য আপনাকে এসইও করতে হবে। 

এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার কমিউনিটি তৈরি করতে হবে বিভিন্ন ফেসবুক ফ্রেন্ড ফেজ ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করতে হবে। সেই কমিউনিটিতে আপনি প্রতিনিয়ত আপনার ব্লগের আর্টিকেলগুলো সেখানে শেয়ার করবেন সে ক্ষেত্রে আপনার ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে। 

এবং আপনার ব্লগ ওয়েবসাইট মেইনটেইন করার জন্য আপনার টেকনিকেল জ্ঞান থাকতে হবে ওয়েবসাইট সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটে লেখাগুলো কে আকর্ষণীয় করার জন্য বিভিন্ন রকম ইমেজ এর ব্যবহার জানতে হবে। যাতে করে আপনার লেখা ব্লকটি অনেক সুন্দর দেখায়।

আমাদের শেষ কথা

আপনি যদি ব্লগিং শুরু করতে চান সে ক্ষেত্রে উপরোক্ত বিষয়গুলো যদি আপনি ভালভাবে আয়ত্ত করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনি সাকসেস হবেন। কিন্তু আপনি যদি উপরোক্ত কোন একটি বিষয়ে ভালোভাবে আয়ত্ব করতে না পারেন সে ক্ষেত্রে আপনি সে বিষয়টি ভালোভাবে আয়ত্ত করুন তারপর ব্লগে ঝাঁপিয়ে পড়ুন না হয় আপনি ব্লগে সাকসেস হতে পারবেন না

ব্লগিং একদিনের জন্য নয় অথবা রাতারাতি ব্লগিং করে সাকসেস পাওয়া যায়না ব্লগ অনেক সময়ের ব্যাপার । আপনি যদি একজন full-time ব্লগার হিসেবে কাজ করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনি আগে ব্লগিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন । তারপর আপনি ব্লগে কাজ করতে নেমে পড়ুন।